শহরের কোলাহল ছেড়ে কক্সবাজারে ‘চেরাংঘরে’ রাত্রিযাপন
ভোজ্যতেলের সংকট কাটবে কবে?
বাজারে সংকটের অপর নাম ভোজ্যতেল। সংকট যেন কাটছে না কিছুতেই। সরকার থেকে দাম বাড়ালেও সংকট থেকে মুক্তি মিলছে না। বিশেষ করে ৫ লিটারের বোতলজাত সয়াবিন তেল পেতে ঘাম ঝরাতে হচ্ছে ক্রেতাদের।
সয়াবিন তেলের স্বাভাবিক সরবরাহ না থাকায় হতাশ ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই। দোকানিরা বলছেন, কোম্পানি প্রতিনিধিদের বারবার অর্ডার দিলেও চাহিদা অনুযায়ী তেল পাওয়া যাচ্ছে না। কিন্তু আমরা জানতে পেরেছি বর্তমানে পাইকারি পর্যায়ে ব্যারেলপ্রতি তেলের দাম কিছুটা কমেছে। তারপরও মিল থেকে তেলের সরবরাহ এখনো স্বাভাবিক হয়নি।
বর্তমানে বাজারে বোতলজাত সয়াবিন তেল লিটার প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকা। আর পাঁচ লিটারের বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সয়াবিন তেল বিক্রি মূল্য ৮৫০-৮৫৫ টাকা। প্রায় দুই মাস আগে সরকার থেকে দাম বাড়লেও সয়াবিন তেলের কৃত্রিম সংকট চলমান। এখনও বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক নয় বলেই দাবি করছেন খুচরা বিক্রেতারা। যার কারণে আর খোলা সয়বিন তেল লিটার প্রতি বাড়তি দামে ১৮০-১৮৫ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
শনিবার (২৫ জানুয়ারি) রাজধানীর কারওয়ান বাজার, মধুবাগ ও রামপুরা বাজার থেকে পাওয়া তথ্যানুসারে এমন চিত্র দেখা গেছে।
মধুবাগ বাজরের দোকানি তানভির বলেন, গত দুই-তিন মাস ধরেই ডিলাররা তেল সরবরাহ করছে না। অর্ডার দিয়েও তেল পাচ্ছি না। অনেকেই তেল চাচ্ছে দিতে পারছি না। এক দফা দাম বৃদ্ধি পেয়েছে, তারপরও সরবরাহ স্বাভাবিক নয়। রমজানকে ঘিরে আরেক দফা দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা করছে বড় ব্যবসায়ীরা। বাধ্য হয়ে বর্তমানে খোলা তেল ১৮৫-১৯০ টাকায় বিক্রি করছি।
অন্যদিকে কারওয়ান বাজারের পাইকারি বিক্রেতা জাহাঙ্গীর বলছেন, বাজারে সয়াবিন তেলের সংকট নেই। দাম বৃদ্ধির পর থেকে বাজারে ভোজ্যতেলের স্বাভাবিক সরবরাহ রয়েছে। আমরা চাহিদা অনুসারেই সরবরাহ করতে পারছি। বরং গত সপ্তাহে ব্যারেলপ্রতি সয়াবিন তেলের দাম এক হাজার টাকার বেশি কমেছে বলে জানি। তবে বোতলজাত তেলে সংকট দেখছি।
তেল নিতে এসে শাহেদ নামে এক ক্রেতা বলছেন, বাজারে সয়াবিন তেল নাই। ২ লিটার তেল পেয়েছি, তাও বাড়তি দামে কিনেছি। যদিও এমআরপি ৩৫০ টাকায় লেখা ছিল। ক্রেতা হিসেবে বাধ্য হয়ে প্রতিনিয়ত ঠকে যাচ্ছি। দেখার কেউ নেই।
গত ৯ ডিসেম্বর সয়াবিন তেলের দাম প্রতি লিটারে ৮ টাকা বেড়েছে। এর ফলে প্রতি লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল এখন বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ টাকায়। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেলের দাম ১৪৯ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৭-১৬০ টাকা হয়। খোলা পাম তেলের লিটারও ১৪৯ টাকা থেকে বেড়ে ১৫৭ টাকা হয়েছে। এ ছাড়া বোতলজাত পাঁচ লিটার সয়াবিন তেলের দাম এখন ৮৫০ টাকা, যা আগে ছিল ৮১৮ টাকা।
সয়াবিন ও পামতেলের সাম্প্রতিক আন্তর্জাতিক বাজারে দর বিবেচনায় নিয়ে পবিত্র রমজান মাসে পণ্যটির সরবরাহ স্বাভাবিক রাখার উদ্দেশ্যে অব্যাহতি দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। সয়াবিন ও পাম তেলের অব্যাহতির মেয়াদ আগামী ৩১ মার্চ পর্যন্ত বাড়ানো হয়।
ভোজ্যতেলের ওপর আমদানি পর্যায়ে ৫ শতাংশ মূসক ব্যতীত অন্য শুল্ক-করাদি প্রত্যাহার করা হয়। গত অক্টোবরে এমন আদেশ জারি করেছিল এনবিআর। আর ১৬ ডিসেম্বর ক্যানোলা ও সানফ্লাওয়ার তেল আমদানিতে আগাম কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করার পাশাপাশি মূসক বা ভ্যাট হ্রাস করে প্রতিষ্ঠানটি। তারপরও ভোজ্য তেলের বাজার স্বাভাবিক হয়নি বলে ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই দাবি করছেন।
মেয়াদ শেষে ইন্টারনেট ডাটা ও মিনিট পরবর্তী প্যাকেজে যুক্ত করতে আইনি নোটিশ
মেয়াদ শেষে অবশিষ্ট ইন্টারনেট ডাটা, মিনিট ও এসএমএস পরবর্তী প্যাকেজে যুক্ত করতে সরকার ও কোম্পানিদের আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো.মিজানুর রহমান ডাক ও টেলিযোগাযোগ সচিব, বিটিআরসির চেয়ারম্যান, গ্রামীণ ফোন, রবি আজিয়াটা লিমিটেড, বাংলালিংক লিমিটেড এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড বরাবর এ নোটিশ পাঠান।
নোটিশে বলা হয়, নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এ বিষয়ে পদক্ষেপ না নিলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবী মিজানুর রহমান।
বর্তমানে, গ্রামীণফোন, রবি, বাংলালিংক ও টেলিটকের মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীরা প্যাকেজের সময়সীমা শেষ হওয়ার পর অব্যবহৃত ডেটা আর ব্যবহার করতে পারেন না। প্যাকেজের সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই আবার ডেটা প্যাকেজ না কিনে রাখলে ব্যবহারকারীরা অব্যবহৃত ডেটা ব্যবহার করতে পারেন না।
ভারতে বাংলাদেশী পর্যটক কমেছে ২৮ শতাংশের বেশি
জুলাইয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলন, সহিংসতা, কারফিউ, সর্বশেষ শেখ হাসিনার পতন—৫ আগস্ট-পরবর্তী পরিস্থিতিতে বাংলাদেশী নাগরিকদের ভিসা দেয়া সীমিত করে ভারত। এর প্রভাব পড়েছে দেশটির পর্যটন শিল্প ও ব্যবসায়। পর্যটন মন্ত্রণালয়ের তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবরের তুলনায় গত বছরের একই সময়ে ভারতে বাংলাদেশী পর্যটক কমেছে ২৮ দশমিক ৪৪ শতাংশ। খাতসংশ্লিষ্টরা অবশ্য বলছেন, উল্লিখিত সময়ে যারা গেছে তাদের বেশির ভাগের ভিসা আগের ইস্যু করা। নতুন করে ভিসা দেয়া সীমিত থাকায় সামনের দিনগুলোয় বাংলাদেশী পর্যটকের সংখ্যা আরো কমে আসবে ভারতে।
প্রতিবেশী ভারত ছাড়াও তুরস্ক, মিসর, মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়াসহ কয়েকটি দেশে বাংলাদেশীদের ভিসাপ্রাপ্তি আগের তুলনায় কঠিন হয়েছে। এছাড়া ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত বেশকিছু দেশের ভিসা সেন্টার ভারতে হওয়ায় সেসব দেশের ভিসা পেতেও বেশ জটিলতায় পড়তে হচ্ছে বাংলাদেশীদের। পাশাপাশি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিদেশী ও প্রবাসীদের যাতায়াত কমে যাওয়া, উড়োজাহাজ ভাড়া বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশ থেকে বিদেশ ভ্রমণের হার কমেছে। বিষয়টির সত্যতা পাওয়া যায় জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) পরিসংখ্যানেও। সংস্থাটির তথ্য বলছে, ২০২৩ সালের অক্টোবরের তুলনায় ২০২৪ সালের একই মাসে সরকারের ভ্রমণ কর আদায় কমেছে ১৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
গত বছরের ফেব্রুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ভারতে ভ্রমণ করা বিদেশী পর্যটকদের মধ্যে সংখ্যার দিক দিয়ে শীর্ষে ছিল বাংলাদেশীরা। অক্টোবরে এসে অবশ্য সে অবস্থান দ্বিতীয়তে নেমে যায়। তবে শেখ হাসিনার পতনের মাস আগস্টে ভারতে বাংলাদেশী পর্যটক সবচেয়ে বেশি কমে। ওই মাসে দেশটিতে ভ্রমণ করেন ৯৯ হাজার ১৯৫ বাংলাদেশী, যা ২০২৩ সালের আগস্টের তুলনায় ৩৬ দশমিক ২৭ শতাংশ কম। সেপ্টেম্বরে ভারত ভ্রমণ করে ১ লাখ ২৯ হাজার ৫৬২ বাংলাদেশী। আর অক্টোবরে ১ লাখ ২৮ হাজার ৪৫৮ বাংলাদেশী ভারতে যায়।
দেশের পর্যটন শিল্পের শীর্ষস্থানীয় বাণিজ্য সংগঠন ট্যুর অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (টোয়াব) হিসাব অনুযায়ী, পর্যটন, চিকিৎসা, শিক্ষাসহ বিভিন্ন কারণে বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর আনুমানিক ৪০ লাখ মানুষ বিদেশে ভ্রমণ করে। এর মধ্যে কমবেশি ১৫ লাখ মানুষের গন্তব্য থাকে ভারত। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ থেকে বিদেশ ভ্রমণ কমে যাওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ ভারতীয় ভিসা সীমিত হয়ে যাওয়া।
যাত্রী কম থাকায় ভারতগামী সাপ্তাহিক ফ্লাইটের সংখ্যা ৩২ থেকে ১০টিতে নামিয়ে এনেছে বাংলাদেশের বেসরকারি আকাশ পরিবহন সংস্থা ইউএস বাংলা এয়ারলাইনস। সংস্থাটির মহাব্যবস্থাপক (জনসংযোগ) কামরুল ইসলাম দেশের একটি শীর্ষ দৈনিককে বলেন, ‘এখন যারা ভারতে ভ্রমণ করছে, তাদের একটা বড় অংশই ৫ আগস্টের আগে ভিসা নিয়ে রেখেছিল। এ ধরনের ভিসাধারীদের সংখ্যা এখন কমে আসছে। সামনের দিনে কী হবে, তা আসলে আমরা জানি না।’
তিনি আরো বলেন, ‘আগে যখন ৩২টি ফ্লাইট পরিচালনা করা হতো, তখন গড়ে ৭০ শতাংশের বেশি আসনে যাত্রী থাকত। এখন ফ্লাইটের সংখ্যা ১০টিতে নামিয়ে আনার পরও প্রায় অর্ধেক আসন ফাঁকা থাকছে।’
শুধু ইউএস বাংলা নয়, রাষ্ট্রায়ত্ত আকাশ পরিবহন সংস্থা বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ভারতে ফ্লাইট কমিয়েছে। কলকাতা রুটে ফ্লাইট বন্ধ রেখেছে আরেক বেসরকারি আকাশ পরিবহন সংস্থা নভোএয়ার।
সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশ থেকে ভারত ছাড়াও বিশ্বের অন্যান্য গন্তব্যেও যাত্রীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে বলে জানিয়েছেন খাতসংশ্লিষ্টরা। এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে টোয়াবের সাবেক সভাপতি ও অবকাশ পর্যটন লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক শিবলুল আজম কোরেশি বলেন, ‘বাংলাদেশ থেকে বিদেশগামী পর্যটক উল্লেখযোগ্য হারে কমেছে। এর পেছনে সবচেয়ে বড় কারণ ভারতীয় ভিসা বন্ধ থাকা। এছাড়া প্রত্যেক গন্তব্যেই বিমান ভাড়া ব্যাপক হারে বেড়েছে। কোনো কোনো গন্তব্যে ভাড়া বেড়ে দ্বিগুণও হয়েছে। এটাও একটা বড় কারণ। আরেকটা ইস্যু হলো ভিসা জটিলতা। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দেশের ভিসা পেতে বাংলাদেশীদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে।’
তুরস্কের প্রায় ৮০ শতাংশ ভিসা ‘রিফিউজ’ হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মিসরের ভিসা রিফিউজাল রেটও অনেক বেশি। থাইল্যান্ডের ভিসা পেতে ২৪ থেকে ৪৮ দিন পর্যন্ত সময় লাগছে। মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়ার মতো দেশগুলোর ভিসা পাওয়াও অনেক জটিল হয়েছে। সামগ্রিকভাবে বাংলাদেশ থেকে ভিসাপ্রাপ্তি আগের চেয়ে অনেক কঠিন হয়েছে। এসবের বাইরে ভিসা ফিও একটা ফ্যাক্টর। সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন দেশে ভ্রমণের জন্য ভিসা ফি ব্যাপক হারে বেড়েছে।’
প্রতি বছর উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ভ্রমণ করেন। তবে ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত বেশকিছু দেশ এবং বিশ্বের আরো কিছু দেশের ভিসা সেন্টার ভারতে হওয়ায় সেখানে গিয়ে ভিসা সংগ্রহ করতে পারছেন না বাংলাদেশী শিক্ষার্থীরা। বাংলাদেশ থেকে বিদেশ যাওয়ার হার সাম্প্রতিক সময়ে কমে যাওয়ার পেছনে এ বিষয়কেও অন্যতম কারণ হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা। আবার দেশের চলমান রাজনৈতিক পরিস্থিতির কারণে বিদেশী ও প্রবাসীরা দেশে যাতায়াত কমিয়ে দিয়েছেন। এটাও বিরূপ প্রভাব ফেলছে।
অন্যদিকে ভারতীয় ভিসা সীমিত হয়ে যাওয়ায় নেপাল, থাইল্যান্ড, মালদ্বীপ, শ্রীলংকার মতো গন্তব্যগুলোয় বাংলাদেশীরা তুলনামূলক বেশি যাচ্ছেন বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। বিষয়টির সত্যতা পাওয়া যায় মিনিস্ট্রি অব ট্যুরিজম, শ্রীলংকার প্রকাশিত তথ্যে। দেশটির তথ্য বলছে, ২০২৪ সালের অক্টোবরে বাংলাদেশ থেকে ৩ হাজার ৭৩২ জন শ্রীলংকায় ভ্রমণ করেন, যা আগের বছরের একই মাসের তুলনায় ৫২ শতাংশ বেশি।
দেশের ভেতরে কিংবা বিদেশে যেতে বিমানে উঠলেই ভ্রমণ কর দিতে হয়। স্থল, রেল ও নৌপথে বিদেশ যেতেও দিতে হয় ভ্রমণ কর। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের প্রকাশিত তথ্যে দেখা গেছে, চলতি বছরের অক্টোবরে ভ্রমণ কর আদায় হয়েছে ১৭৯ কোটি টাকা। অন্যদিকে ২০২৩ সালের অক্টোবরে ২১২ কোটি টাকা ভ্রমণ কর আদায় করেছিল এনবিআর। এক বছরের ব্যবধানে তা কমেছে ১৫ দশমিক ৫৭ শতাংশ।
অক্টোবরে ভ্রমণ কর আদায় কমলেও বিষয়টিকে সাময়িক হিসেবে অভিহিত করেছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মঞ্জুর কবীর ভূঁইয়া। এ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে আকাশপথে যাত্রীর সংখ্যা কিছুটা ড্রপ করেছে। বিভিন্ন প্রেক্ষিত, বিভিন্ন কারণ এর জন্য দায়ী। তবে এটা সাময়িক। দ্রুতই যাত্রীর সংখ্যা আগের অবস্থায় ফিরে আসবে। সামগ্রিক পরিস্থিতির জন্য যাত্রীর সংখ্যা কিছুটা কমে যাওয়ায় হয়তো রাজস্ব আদায় কমে এসেছে। আবার এখন বাড়তে শুরু করেছে। তবে আমাদের কাছে যে হিসাব আছে, আগের বছরের তুলনায় ২০২৪ সালে যাত্রীর সংখ্যা বেশি ছিল।’
‘গ্লোবাল এমভিটি পার্টনার ইম্প্যাক্ট পার্সন এওয়ার্ড’ পেলেন মেডিএইডার-এর তামিম
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে সার্ভিস এক্সপার্ট প্রমোশন কাউন্সিল (এসইপিসি) আয়োজিত সাঞ্জীভানি ২০২৪-এ ‘গ্লোবাল এমভিটি পার্টনার ইম্প্যাক্ট পার্সন এওয়ার্ড’ পেয়েছেন বাংলাদেশের চিকিৎসা সহায়তা ও চিকিৎসা পর্যটন বিষয়ক প্রতিষ্ঠান মেডিএইডার-এর প্রধান নির্বাহী ও প্রখ্যাত মেডিকেল ট্যুরিজম ব্যবসায়ী শাব্বির আহমদ তামিম।
সম্প্রতি নয়াদিল্লিতে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে এসইপিসি’র পক্ষে এওয়ার্ডটি শাব্বির আহমদ তামিমের হাতে তুলে দেন এশিয়ার অন্যতম সেরা কার্ডিয়াক সার্জন ও মেদান্তা হাসপাতালের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ডা. নরেশ ত্রেহান।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এসইপিসি’র ডিজি ড. আবে সিনহা ও ফেডারেশন অভ হেলথকেয়ার এন্ড ওয়েলনেস প্রমোশন কাউন্সিল-এর প্রেসিডেন্ট দালিপ কুমার চোপড়া।
শাব্বির আহমদ তামিম দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাপী মেডিকেল ট্যুরিজমের প্রসারে কাজ করে আসছেন
পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের ব্যাংকিং কার্যক্রম
আগামী পাঁচ দিন বন্ধ থাকবে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক লিমিটেডের সব ধরনের ব্যাংকিং কার্যক্রম। তবে ক্রেডিট কার্ড ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবা রকেটের লেনদেন চালু থাকবে।
সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফসাইট সুপারভিশন (ডিওএস) এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।
এতে বলা হয়, নতুন কোর ব্যাংকিং সফটওয়্যারে মাইগ্রেশনের কার্য সুষ্ঠুভাবে সম্পাদনের উদ্দেশ্যে কোর ব্যাংকিং সার্ভিসেস ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সাময়িকভাবে বিরত রাখতে বাংলাদেশ ব্যাংকে আবেদন করেছে ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসি। এছাড়া ২০২৪ সালের ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৫ সালের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত এজেন্ট ব্যাংকিং সার্ভিসেস সাময়িকভাবে বন্ধ রাখতে চায় ব্যাংকটি।
ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এই আবেদনে সম্মতি জ্ঞাপন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। অর্থাৎ ব্যাংকটির কোর ব্যাংকিং সার্ভিসেস পাঁচদিন ও এজেন্ট ব্যাংকিং সার্ভিসেস সাতদিন সাময়িকভাবে বন্ধ থাকবে।
ব্যাংক কোম্পানি আইন, ১৯৯১ এর ৪৫ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এ সম্মতি জ্ঞাপন করা হয়েছে। এ সংক্রান্ত নির্দেশনা দেশে কার্যরত সকল তফসিলি ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহীদের কাছে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক।
সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ১ জানুয়ারি থেকে বন্ধ থাকবে ব্যাংকটির কোর ব্যাংকিং সার্ভিসেস। আর গত ৩০ ডিসেম্বর থেকে বন্ধ রয়েছে ডাচ্-বাংলার এজেন্ট ব্যাংকিং সার্ভিস।
থাইল্যান্ডে দুইজনের চেকআপে মেডিএইডারের বিশেষ ছাড়
থাইল্যান্ডে দুইজনের চেকআপে মেডিএইডারের বিশেষ ছাড়: স্বাস্থ্যসেবায় আধুনিকতার স্পর্শ
থাইল্যান্ডে চিকিৎসা পর্যটন সম্প্রতি জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে, এবং এর অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে দেশটির উন্নতমানের বেসরকারি হাসপাতালগুলি। এসব হাসপাতাল আন্তর্জাতিক মানের চিকিৎসা সেবা প্রদান করলেও তার খরচ অন্যান্য উন্নত দেশের তুলনায় অনেক কম। ফলে, বিদেশি পর্যটকরা এখানে এসে আধুনিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করছেন অত্যন্ত সাশ্রয়ী মূল্যতে।
মেডিএইডার থাইল্যান্ডে ২ জনের চেকআপে বিশেষ ছাড় প্রদান করছে। চিকিৎসকরা বিশেষজ্ঞ মনোযোগ দিয়ে রোগীর চেকআপ করেন, এবং আধুনিক যন্ত্রপাতি ব্যবহার করে পূর্ণাঙ্গ পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন। স্বাস্থ্য সেবা নেওয়ার পাশাপাশি, থাইল্যান্ডের বৈচিত্র্যময় সংস্কৃতি এবং সৌন্দর্য উপভোগ করা এই চিকিৎসা পর্যটকদের জন্য আরও আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে।
এছাড়া, থাইল্যান্ডের উন্নত পর্যটন সেবা, সুন্দর পরিবেশ এবং অত্যাধুনিক পর্যটক সুবিধা চিকিৎসা গ্রহণকারীদের জন্য একটি অতিরিক্ত উপকারিতার বিষয়। সারা বিশ্বে মেডিকেল ট্যুরিজমের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে থাইল্যান্ড তার বিশ্বস্ততা এবং চিকিৎসার মানের জন্য জনপ্রিয় হয়ে উঠছে।
এছাড়াও, স্বাস্থ্য বীমার সাশ্রয়ী প্যাকেজ, ঘরোয়া অনুভূতি এবং কম খরচে বসবাসের সুযোগ থাইল্যান্ডকে আরও একধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।
বাস্কেটের পাঁচলাইশ আউটলেটে মাসের
দ্য বাস্কেট সুপার শপের মাসিক সেরা অফার: বিশাল ছাড় নিয়ে ৪ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত!
দ্য বাস্কেট সুপার শপ, চট্টগ্রামের সেরা বাজারের পছন্দের জায়গা, মাসের সেরা অফার নিয়ে আপনাদের জন্য ফিরে এসেছে। এই অফারটি ৪ থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত চলবে এবং এখানে থাকছে আপনার মাসিক বাজারের জন্য বিশেষ ছাড় এবং উপহার!
অফারে পাওয়া যাচ্ছে:
- ১,৫০০০ টাকা মাসিক বাজারে ৫ লিঃ স্টারশীপ সয়াবিন তেল ফ্রী!
- ১০,০০০ টাকা মাসিক বাজারে ৩ লিঃ স্টারশীপ সয়াবিন তেল ফ্রী!
- গরুর মাংস (হাড় সহ) প্রতি কেজি মাত্র ৬৯৯ টাকা!
- ২০০০ টাকার অধিক পণ্যে চলছে “Clearance Sale 2024”!
- বিভিন্ন প্রসাধনীতে চলছে “Winter Sale 2024”!
এই এক্সক্লুসিভ অফার শুধুমাত্র দ্য বাস্কেট সুপার শপে পাওয়া যাচ্ছে। আরও অনেক আকর্ষণীয় ডিসকাউন্ট এবং ভাউচার অফার পাচ্ছেন, তাই আজই শপিং করুন এবং সাশ্রয় করুন!
অর্ডার করতে যোগাযোগ করুন:
- হোম ডেলিভারি: 01799-997910
- খুলশী শাখা: ২৪৬৪/সি জাকির হোসেন রোড, খুলশী, চট্টগ্রাম।
- পাঁচলাইশ শাখা: মির্জারপুল (একুশে হাসপাতালের বিপরীতে), পাঁচলাইশ, চট্টগ্রাম।
দ্য বাস্কেট সুপার শপে স্বাগতম! শপিং করুন এবং চমৎকার ডিসকাউন্টের সুবিধা নিন!
WhatsApp: ০১৭৯৯৯৯৭৯১০ (খুলশী শাখা)
WhatsApp: ০১৭৯৯৯৯৭৯০৯ (পাঁচলাইশ শাখা)
Othobaতে মাত্র ৯ টাকায় পণ্য!
১) “ ৯ টাকায় প্রোডাক্ট” পেতে ক্যাম্পেইন চলাকালীন সময়ে বিভিন্ন ক্যাটাগরি খুঁজুন।
২) একটি অ্যাকাউন্ট কিংবা অথবা ডট কম-এ নিবন্ধিত মোবাইল নাম্বার থেকে সর্বোচ্চ একটি “ ৯ টাকায় প্রোডাক্ট” অর্ডার করতে পারবেন।
৩) একটি অর্ডারে সর্বোচ্চ একবার “ ৯ টাকায় প্রোডাক্ট” অর্ডার করা যাবে।
৪) ক্যাম্পেইন চলাকালিন সময়ে একের অধিক “ ৯ টাকায় প্রোডাক্ট” অর্ডার করে পেমেন্ট করা হলে, প্রথম অর্ডার ব্যতীত পরবর্তী অর্ডারের কোনো প্রকার রিফান্ড করা হবেনা।
৫) “ ৯ টাকায় প্রোডাক্ট” অর্ডারের ক্ষেত্রে “ক্যাশ অন ডেলিভারি” প্রযোজ্য হবেনা।
৬) “ ৯ টাকায় প্রোডাক্ট” অর্ডারের ক্ষেত্রে কোনো প্রকার রিটার্ন পলিসি গ্রহণযোগ্য হবেনা।
৭) একই নাম, ঠিকানা, মোবাইল নম্বর কিংবা এগুলোর কাছাকাছি তথ্য সম্বলিত কোনো একাউন্ট থেকে একের অধিক অর্ডার করা যাবেনা।
৮) ক্যাম্পেইন চলাকালিন প্রতিদিন ভাগ্যবান গ্রাহকদের তালিকা অর্ডার নাম্বারসমেত সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ করা হবে।
৯) ৯ টাকার পণ্য প্রথম ১০ জনকে পণ্য দেওয়া হবে আর যাদের পণ্য দেওয়া সম্ভব হবে না, তাদের জন্য থাকছে বিশেষ উপহার।
১০) কর্তৃপক্ষ কোনো কারণে “ ৯ টাকায় প্রোডাক্ট” ডেলিভারি করতে ব্যর্থ হলে সেক্ষেত্রে ক্যাম্পেইন শেষে পরবর্তী ১৫ কর্মদিবসের মধ্যে টাকা রিফান্ড করা হবে।
১১) ৯ টাকায় প্রোডাক্ট হাতে পাওয়ার পর অথবা ফ্যান ক্লাবে রিভিউ দিতে হবে।
১২) আজ থেকে আমাদের ৯ টাকার পণ্য এবং জাদুর বক্স সকাল ১০-১১টায় এবং রাত ৯-১০ টায় আমাদের ক্যাটেগরিগুলোতে অ্যাভেলেবেল হবে। অফার চলবে ১০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। ![]()
![]()
![]()
চট্টগ্রামে লোভনীয় পাপড়ি চাট স্টেডিয়াম মেট্রো লাইফ চাট পয়েন্টে
চট্টগ্রামে সুস্বাদু পাপড়ি চাট: মেট্রো লাইফ চাট পয়েন্টে অনন্য স্বাদ
বাংলাদেশের চট্টগ্রাম শুধু বন্দরনগরী নয়, এটি দেশের অন্যতম প্রধান খাদ্যগন্তব্যও। বিশেষ করে স্ট্রিট ফুড প্রেমীদের জন্য এখানে রয়েছে নানা ধরনের মুখরোচক খাবার, যার মধ্যে পাপড়ি চাট অন্যতম। যদি আপনি সত্যিই আসল ও সুস্বাদু পাপড়ি চাট উপভোগ করতে চান, তাহলে আপনাকে অবশ্যই যেতে হবে এমএ আজিজ স্টেডিয়ামের কাছে অবস্থিত মেট্রো লাইফ চাট পয়েন্টে।
এই চাট পয়েন্টে পাওয়া যায় চট্টগ্রামের বিখ্যাত লোভনীয় পাপড়ি চাট, যা এর বিশেষ মশলাদার স্বাদ এবং সতেজ উপকরণের জন্য জনপ্রিয়। ক্রিস্পি পাপড়ির ওপর টক-মিষ্টি চাটনি, টক দই ও সুগন্ধি মশলার অনন্য মিশ্রণ একে সাধারণ থেকে অসাধারণ করে তোলে। স্থানীয়রা বলে থাকেন, একবার এই চাট খেলে এর স্বাদ ভুলে যাওয়া কঠিন!
মেট্রো লাইফ চাট পয়েন্ট শুধুমাত্র এর পাপড়ি চাটের জন্য বিখ্যাত নয়, বরং এখানে পাওয়া যায় দই ফুচকা, বেলপুরি ও অন্যান্য স্ট্রিট ফুড আইটেমও। তবে পাপড়ি চাটের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো এর হাতে বানানো মশলার সংমিশ্রণ, যা স্বাদকে অন্য লেভেলে নিয়ে যায়।
স্টেডিয়ামের আশপাশে অবস্থিত হওয়ায় এটি বিশেষত সন্ধ্যায় ভীষণ ব্যস্ত থাকে। খেলাধুলার আয়োজন চলাকালীন এখানে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা যায়।
তাই, যদি আপনি চট্টগ্রামে কখনো যান, তাহলে স্ট্রিট ফুডের এ সুস্বাদু অভিজ্ঞতা মিস করবেন না! 🌶️🍽️










