লেখাপড়া সম্পন্ন করার পর সবারই লক্ষ্য থাকে ক্যারিয়ার গড়ে তোলা। আমাদের দেশে ক্যারিয়ার মানেই হলো চাকরি করা। কিন্তু চাকরি না করেও ব্যবসা কিংবা অন্য কোনো উদ্যোগ নিয়েও যে ক্যারিয়ার গড়ে তোলা যায় সেটা অনেকেই জানে না বা জানতে চায় না। ফলে চাকরির বাজারে ব্যাপক চাপ সৃষ্টি হয়। কর্মসংস্থানের সুযোগের চেয়ে চাকরিপ্রার্থী বেশি হওয়ায় অনেককেই থাকতে হয় বেকার।
আবার অনেকেই প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা অর্জন করলেও কর্মক্ষেত্রের প্রয়োজনীয় যোগ্যতা না থাকায় চাকরি পায় না। এমন অবস্থায় কেউ কেউ হতাশায় ভুগলেও অনেকেই নিজের মতো করে এগিয়ে যান কারণ তারা তো থেমে থাকার মানুষ নন। তেমনই কয়েকজন যুবক হলেন মনজুর মোরশেদ বাপ্পা, মোহাম্মদ শাহীন চৌধুরী এবং মোহাম্মদ মোরশেদ আলম (সুমন)।
বাংলাদেশের পোশাক যেগুলো কোনো না কোনো কারণে বিদেশে যায় না সেগুলো সংগ্রহ করে তারা বিক্রি করেন চট্টগ্রামের হাজী পাড়ার সিঙ্গাপুর মার্কেটের তাওয়ান’স ফ্যাশন-এ। যে পোশাকগুলো পশ্চিমা দেশে অনেক দামে কিনতে হয় সেগুলো তাদের দোকানে পাওয়া যায় তুলনামূলক কম দামে। আমাদের মতো দেশের মানুষের পোশাকের চাহিদার অনেকটাই তারা পূরণ করছেন সাধারণ মানুষের সাধ্যের মধ্যে। এ কারণে মানুষের মৌলিক চাহিদার দ্বিতীয়টি অর্থাৎ বস্ত্র (পোশাক) সাশ্রয়ী মূল্যে কেনার জন্য তাদের দোকানে নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ভিড় করেন অনেকেই। আসেন বিভিন্ন মার্কেটের খুচরা বিক্রেতা দোকানদাররাও।
এই তরুণরা প্রমাণ করেছেন লেখাপড়ার পর চাকরি না করেও গড়ে তোলা যায় ক্যারিয়ার, চালিয়ে নেওয়া যায় সংসার, এগিয়ে নেওয়া যায় জীবন। বাঁচতে জানলে চাকরির পিছনে না ঘুরে হতাশা নয় জীবনের আশাকে এভাবেও জাগিয়ে রাখা যায়।
তাদের জন্য শুভকামনা নিরন্তর…

